ঢাকা ০১:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধর্মীয় পরিচয়ের বিরোধে ৮ দিন পর দাফন শুভর

নিজস্ব প্রতিবেদক, নারায়ণগঞ্জ
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:০১:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 63

ধর্মীয় পরিচয়ের বিরোধে ৮ দিন পর দাফন শুভর

নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়ায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত শুভ চন্দ্র দাস ওরফে মো. বিল্লালকে (৩২) মৃত্যুর আট দিন পর দাফন করা হয়েছে। ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে মা-বাবার মধ্যে বিরোধের কারণে তার মরদেহ এতদিন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা ছিল।

শুভর মা, স্ত্রী ও ভাই ইসলামি রীতিতে তার দাফন চেয়েছিলেন। অন্যদিকে, বাবা হিন্দুধর্মীয় রীতিতে তার সৎকারের দাবি জানান। এ নিয়ে বিরোধ উচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়ায়। আদালতের নির্দেশে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে এ বিরোধের অবসান হলে শুভর মরদেহ নারায়ণগঞ্জে এনে জানাজা শেষে মাসদাইর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে দাফন সম্পন্ন হয়। এর আগে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গ থেকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপপরিদর্শক (এসআই) মফিজুল ইসলামসহ পুলিশের একটি দল শুভর মরদেহ নারায়ণগঞ্জে নিয়ে আসে। পরে মরদেহ তার স্ত্রী জ্যোতি আক্তারসহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

শুভর শেষবিদায়ে উপস্থিত ছিলেন তার মা আয়েশা আক্তার, স্ত্রী জ্যোতি আক্তার, দুই বছর বয়সী মেয়ে সুমাইয়া সোহানা, ভাই ইব্রাহিম, বোনজামাই মো. সেলিমসহ পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা। জানাজা ও দাফন ঘিরে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও ডিবি সদস্য মোতায়েন ছিলেন।

মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের পর সেখানে হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ। মাকে কাঁদতে দেখে বাবাকে হারানোর অর্থ পুরোপুরি না বুঝলেও ছোট্ট সুমাইয়া সোহানাও কান্নায় ভেঙে পড়ে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ধর্মীয় পরিচয়ের বিরোধে ৮ দিন পর দাফন শুভর

সর্বশেষ আপডেট ০২:০১:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়ায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত শুভ চন্দ্র দাস ওরফে মো. বিল্লালকে (৩২) মৃত্যুর আট দিন পর দাফন করা হয়েছে। ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে মা-বাবার মধ্যে বিরোধের কারণে তার মরদেহ এতদিন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা ছিল।

শুভর মা, স্ত্রী ও ভাই ইসলামি রীতিতে তার দাফন চেয়েছিলেন। অন্যদিকে, বাবা হিন্দুধর্মীয় রীতিতে তার সৎকারের দাবি জানান। এ নিয়ে বিরোধ উচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়ায়। আদালতের নির্দেশে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে এ বিরোধের অবসান হলে শুভর মরদেহ নারায়ণগঞ্জে এনে জানাজা শেষে মাসদাইর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে দাফন সম্পন্ন হয়। এর আগে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গ থেকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপপরিদর্শক (এসআই) মফিজুল ইসলামসহ পুলিশের একটি দল শুভর মরদেহ নারায়ণগঞ্জে নিয়ে আসে। পরে মরদেহ তার স্ত্রী জ্যোতি আক্তারসহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

শুভর শেষবিদায়ে উপস্থিত ছিলেন তার মা আয়েশা আক্তার, স্ত্রী জ্যোতি আক্তার, দুই বছর বয়সী মেয়ে সুমাইয়া সোহানা, ভাই ইব্রাহিম, বোনজামাই মো. সেলিমসহ পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা। জানাজা ও দাফন ঘিরে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও ডিবি সদস্য মোতায়েন ছিলেন।

মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের পর সেখানে হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ। মাকে কাঁদতে দেখে বাবাকে হারানোর অর্থ পুরোপুরি না বুঝলেও ছোট্ট সুমাইয়া সোহানাও কান্নায় ভেঙে পড়ে।