ঢাকা ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষকে অগ্রাধিকার দিয়ে নতুন বাজেট: অর্থমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:২৬:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬
  • / 47

অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী

বাংলাদেশের প্রতিটি সাধারণ নাগরিকের জীবনযাত্রার মান এবং কল্যাণ বিবেচনা করে নতুন বাজেট প্রণয়ন করা হচ্ছে। বুধবার (৩জুন) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে একটি বিশেষ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এই কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। মূলত এর আগের দিন গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীতে অর্থনৈতিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) আয়োজিত ‘বাজেট ২০২৬-২৭: প্রত্যাশা ও বাস্তবতা’ শীর্ষক একটি সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। সেখানে তিনি দেশের আগামী বাজেটের মূল লক্ষ্য ও গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।

অর্থমন্ত্রী অকপটে স্বীকার করেছেন যে, অতীতে বাংলাদেশের বাজেটগুলোতে সবচেয়ে বেশি বৈষম্যের শিকার এবং বঞ্চিত হয়েছে নিম্ন আয়ের সাধারণ মানুষ। বর্তমানে সেই ঘাটতি পূরণে অন্তর্বর্তীকালীন অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় দরিদ্র, সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠী এবং গৃহিণীদের সবার প্রথমে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া দেশের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে এবং তৃণমূলের প্রান্তিক পেশাজীবীদের মূল ধারায় ফিরিয়ে আনতে সামাজিক নিরাপত্তা ও ভাতার পরিধি আরও বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

দেশের কামার, কুমার, তাঁতি, ক্ষুদ্র কারুশিল্পী, থিয়েটারকর্মী এবং সাংস্কৃতিককর্মীদের সরাসরি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করতে এবার ‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ নামের একটি বিশেষ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় প্রান্তিক কারিগর ও সাংস্কৃতিককর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন, সহজ শর্তে ঋণ প্রদান, আধুনিক ডিজাইন সহায়তা এবং পণ্যের ব্র্যান্ডিং ও বাজারজাতকরণে সরকারের পক্ষ থেকে সরাসরি সহযোগিতা দেওয়া হবে। পরিশেষে অর্থমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, জিডিপি (GDP) শুধু বড় বড় শিল্প-কারখানা থেকে আসে না, বরং সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও কারুশিল্পের মতো সৃজনশীল খাতও দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষকে অগ্রাধিকার দিয়ে নতুন বাজেট: অর্থমন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেট ০১:২৬:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

বাংলাদেশের প্রতিটি সাধারণ নাগরিকের জীবনযাত্রার মান এবং কল্যাণ বিবেচনা করে নতুন বাজেট প্রণয়ন করা হচ্ছে। বুধবার (৩জুন) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে একটি বিশেষ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এই কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। মূলত এর আগের দিন গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীতে অর্থনৈতিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) আয়োজিত ‘বাজেট ২০২৬-২৭: প্রত্যাশা ও বাস্তবতা’ শীর্ষক একটি সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। সেখানে তিনি দেশের আগামী বাজেটের মূল লক্ষ্য ও গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।

অর্থমন্ত্রী অকপটে স্বীকার করেছেন যে, অতীতে বাংলাদেশের বাজেটগুলোতে সবচেয়ে বেশি বৈষম্যের শিকার এবং বঞ্চিত হয়েছে নিম্ন আয়ের সাধারণ মানুষ। বর্তমানে সেই ঘাটতি পূরণে অন্তর্বর্তীকালীন অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় দরিদ্র, সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠী এবং গৃহিণীদের সবার প্রথমে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া দেশের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে এবং তৃণমূলের প্রান্তিক পেশাজীবীদের মূল ধারায় ফিরিয়ে আনতে সামাজিক নিরাপত্তা ও ভাতার পরিধি আরও বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

দেশের কামার, কুমার, তাঁতি, ক্ষুদ্র কারুশিল্পী, থিয়েটারকর্মী এবং সাংস্কৃতিককর্মীদের সরাসরি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করতে এবার ‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ নামের একটি বিশেষ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় প্রান্তিক কারিগর ও সাংস্কৃতিককর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন, সহজ শর্তে ঋণ প্রদান, আধুনিক ডিজাইন সহায়তা এবং পণ্যের ব্র্যান্ডিং ও বাজারজাতকরণে সরকারের পক্ষ থেকে সরাসরি সহযোগিতা দেওয়া হবে। পরিশেষে অর্থমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, জিডিপি (GDP) শুধু বড় বড় শিল্প-কারখানা থেকে আসে না, বরং সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও কারুশিল্পের মতো সৃজনশীল খাতও দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।