ঢাকা ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে উদীচীর গভীর শোক

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:৪১:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬
  • / 63

বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী।

৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জানিয়েছে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী।

বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহমুদ সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে এক শোকবার্তায় বলেন, তোফায়েল আহমেদের প্রয়াণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রগঠনের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের অবসান হলো।

উদীচীর নেতারা স্মরণ করেন, ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ডাকসুর ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়ে দেশব্যাপী পরিচিতি লাভ করেন।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। স্বাধীনতার পরও জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে যান তিনি।

দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভোগা তোফায়েল আহমেদ গত ২৪ সেপ্টেম্বর নিউমোনিয়াজনিত শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ ও শারীরিক দুর্বলতা নিয়ে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানেই সোমবার (১ জুন) দুপুরে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

উদীচীর নেতারা মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে তাঁর পরিবার ও স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে উদীচীর গভীর শোক

সর্বশেষ আপডেট ০৮:৪১:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জানিয়েছে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী।

বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহমুদ সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে এক শোকবার্তায় বলেন, তোফায়েল আহমেদের প্রয়াণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রগঠনের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের অবসান হলো।

উদীচীর নেতারা স্মরণ করেন, ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ডাকসুর ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়ে দেশব্যাপী পরিচিতি লাভ করেন।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। স্বাধীনতার পরও জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে যান তিনি।

দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভোগা তোফায়েল আহমেদ গত ২৪ সেপ্টেম্বর নিউমোনিয়াজনিত শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ ও শারীরিক দুর্বলতা নিয়ে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানেই সোমবার (১ জুন) দুপুরে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

উদীচীর নেতারা মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে তাঁর পরিবার ও স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।