ঢাকা ০১:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি চাপে টালমাটাল ভারতের বিমান খাত

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:১০:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • / 65

জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ও বাড়তি পরিচালন ব্যয়ের চাপে ভারতের বিমান শিল্প গভীর সংকটে পড়েছে। দেশটির বাজারের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণকারী এয়ার ইন্ডিয়া, ইন্ডিগো ও স্পাইসজেট সরকারকে জানিয়েছে, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া নিয়েই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল), আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতা এবং হরমুজ প্রণালীর ওপর প্রভাব পড়ায় জ্বালানির দাম দ্রুত বেড়েছে। এর সঙ্গে আকাশসীমা ব্যবহারে বিধিনিষেধ যুক্ত হওয়ায় বিশেষ করে দূরপাল্লার ফ্লাইট পরিচালনা আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে।

এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েল (এটিএফ), যা একটি বিমানের মোট পরিচালন ব্যয়ের প্রায় ৪০ শতাংশ, তার মূল্য পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে এয়ারলাইনগুলো। একইসঙ্গে ‘ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান এয়ারলাইনস’ জ্বালানির মূল্য নির্ধারণে বিশেষ সুবিধা অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক উভয় ফ্লাইটে প্রযোজ্য করার আহ্বান জানিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে টিকিটের দাম বাড়তে পারে, ফ্লাইট কমে যেতে পারে এবং যাত্রীসেবায় প্রভাব পড়বে। আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থার প্রধান উইলি ওয়ালশ সতর্ক করে বলেছেন, জেট জ্বালানির বৈশ্বিক সংকট সবচেয়ে বেশি আঘাত হানতে পারে এশিয়ায়; এর প্রভাব ধীরে ধীরে ইউরোপ, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকায়ও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জ্বালানি চাপে টালমাটাল ভারতের বিমান খাত

সর্বশেষ আপডেট ০৯:১০:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ও বাড়তি পরিচালন ব্যয়ের চাপে ভারতের বিমান শিল্প গভীর সংকটে পড়েছে। দেশটির বাজারের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণকারী এয়ার ইন্ডিয়া, ইন্ডিগো ও স্পাইসজেট সরকারকে জানিয়েছে, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া নিয়েই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল), আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতা এবং হরমুজ প্রণালীর ওপর প্রভাব পড়ায় জ্বালানির দাম দ্রুত বেড়েছে। এর সঙ্গে আকাশসীমা ব্যবহারে বিধিনিষেধ যুক্ত হওয়ায় বিশেষ করে দূরপাল্লার ফ্লাইট পরিচালনা আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে।

এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েল (এটিএফ), যা একটি বিমানের মোট পরিচালন ব্যয়ের প্রায় ৪০ শতাংশ, তার মূল্য পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে এয়ারলাইনগুলো। একইসঙ্গে ‘ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান এয়ারলাইনস’ জ্বালানির মূল্য নির্ধারণে বিশেষ সুবিধা অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক উভয় ফ্লাইটে প্রযোজ্য করার আহ্বান জানিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে টিকিটের দাম বাড়তে পারে, ফ্লাইট কমে যেতে পারে এবং যাত্রীসেবায় প্রভাব পড়বে। আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থার প্রধান উইলি ওয়ালশ সতর্ক করে বলেছেন, জেট জ্বালানির বৈশ্বিক সংকট সবচেয়ে বেশি আঘাত হানতে পারে এশিয়ায়; এর প্রভাব ধীরে ধীরে ইউরোপ, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকায়ও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।