ঢাকা ০১:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জিতেও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে বার্সেলোনার বিদায়

ক্রীড়া ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:৪৪:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / 57

দীর্ঘ অপেক্ষার পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে উঠেছে অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ। ঘরের মাঠে স্নায়ুচাপের ম্যাচে ২-১ গোলে হারলেও দুই লেগ মিলিয়ে ৩-২ ব্যবধানে বার্সেলোনাকে পেছনে ফেলে শেষ পর্যন্ত শেষ চারের টিকিট কেটেছে তারা। ম্যাচ জিতেও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে বিদায় নিতে হলো বার্সাকে।

শেষ বাঁশি পর্যন্ত মেট্রোপলিটানো স্টেডিয়ামে ছিল দমবন্ধ করা উত্তেজনা। কাজটা প্রথম লেগেই সেরে ফেলেছিল অ্যাতলেতিকো। ন্যু ক্যাম্পে জিতেছিল ২-০ ব্যবধানে। সেই অগ্রগামিতাই শেষ পর্যন্ত তাদের এগিয়ে রেখেছে।

যদিও কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে শুরুতেই বার্সেলোনা ঝড় তুলে প্রথমার্ধে দুটি গোল করে সমতা ফেরায়। চতুর্থ মিনিটে ক্লেমেন্ট লেংলেটের ভুল কাজে লাগিয়ে লামিনে ইয়ামাল গোল করে বার্সাকে এগিয়ে দেন। এরপর ২৪ মিনিটে ব্যবধান ২-০ করেন তোরেস নিজেই। দানি ওলমোর পাসে দৌড়ে গিয়ে বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শটে বল জালে জড়ান তিনি। তার পর বার্সা প্রত্যাবর্তনের ইঙ্গিত দিতে থাকলে চাপের মুখে পড়ে অ্যাতলেতিকো। কিন্তু তবু ভেঙে পড়েনি অ্যাতলেতিকো। ৩১ মিনিটে ম্যাচে ফেরার পথ খুঁজে পায় তারা। ডান দিক দিয়ে দৌড়ে গিয়ে মারকোস লোরেন্তে নিচু ক্রস বাড়ালে দূরের পোস্টে থাকা আদেমোলা লুকম্যান ডিফেন্ডারকে পেছনে ফেলে জাল কাঁপান। এতে আবারও দুই লেগ মিলিয়ে এগিয়ে যায় স্বাগতিক অ্যাতলেতিকো।

বিরতির পর বার্সেলোনা বল দখলে আধিপত্য দেখায় ঠিকই। পেদ্রি ও গাভি মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণ করেন, তোরেসের একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিলও হয়। তার ওপর ম্যাচের শেষ দিকে এরিক গার্সিয়া লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জনে পরিণত হয় বার্সেলোনা। সেই চাপ আর তারা সামলাতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে অ্যাতলেতিকো। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হবে আর্সেনাল বা স্পোর্টিংয়ের ম্যাচে জয়ীদের কেউ।

শেষ চার নিশ্চিত করেছে পিএসজিও। অ্যানফিল্ডের বৃষ্টিভেজা রাতে লিভারপুলকে ২-০ গোলে হারিয়েছে তারা। কোয়ার্টার ফাইনালে দুই লেগ মিলিয়ে তারা জিতেছে ৪-০ ব্যবধানে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জিতেও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে বার্সেলোনার বিদায়

সর্বশেষ আপডেট ১২:৪৪:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

দীর্ঘ অপেক্ষার পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে উঠেছে অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ। ঘরের মাঠে স্নায়ুচাপের ম্যাচে ২-১ গোলে হারলেও দুই লেগ মিলিয়ে ৩-২ ব্যবধানে বার্সেলোনাকে পেছনে ফেলে শেষ পর্যন্ত শেষ চারের টিকিট কেটেছে তারা। ম্যাচ জিতেও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে বিদায় নিতে হলো বার্সাকে।

শেষ বাঁশি পর্যন্ত মেট্রোপলিটানো স্টেডিয়ামে ছিল দমবন্ধ করা উত্তেজনা। কাজটা প্রথম লেগেই সেরে ফেলেছিল অ্যাতলেতিকো। ন্যু ক্যাম্পে জিতেছিল ২-০ ব্যবধানে। সেই অগ্রগামিতাই শেষ পর্যন্ত তাদের এগিয়ে রেখেছে।

যদিও কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে শুরুতেই বার্সেলোনা ঝড় তুলে প্রথমার্ধে দুটি গোল করে সমতা ফেরায়। চতুর্থ মিনিটে ক্লেমেন্ট লেংলেটের ভুল কাজে লাগিয়ে লামিনে ইয়ামাল গোল করে বার্সাকে এগিয়ে দেন। এরপর ২৪ মিনিটে ব্যবধান ২-০ করেন তোরেস নিজেই। দানি ওলমোর পাসে দৌড়ে গিয়ে বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শটে বল জালে জড়ান তিনি। তার পর বার্সা প্রত্যাবর্তনের ইঙ্গিত দিতে থাকলে চাপের মুখে পড়ে অ্যাতলেতিকো। কিন্তু তবু ভেঙে পড়েনি অ্যাতলেতিকো। ৩১ মিনিটে ম্যাচে ফেরার পথ খুঁজে পায় তারা। ডান দিক দিয়ে দৌড়ে গিয়ে মারকোস লোরেন্তে নিচু ক্রস বাড়ালে দূরের পোস্টে থাকা আদেমোলা লুকম্যান ডিফেন্ডারকে পেছনে ফেলে জাল কাঁপান। এতে আবারও দুই লেগ মিলিয়ে এগিয়ে যায় স্বাগতিক অ্যাতলেতিকো।

বিরতির পর বার্সেলোনা বল দখলে আধিপত্য দেখায় ঠিকই। পেদ্রি ও গাভি মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণ করেন, তোরেসের একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিলও হয়। তার ওপর ম্যাচের শেষ দিকে এরিক গার্সিয়া লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জনে পরিণত হয় বার্সেলোনা। সেই চাপ আর তারা সামলাতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে অ্যাতলেতিকো। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হবে আর্সেনাল বা স্পোর্টিংয়ের ম্যাচে জয়ীদের কেউ।

শেষ চার নিশ্চিত করেছে পিএসজিও। অ্যানফিল্ডের বৃষ্টিভেজা রাতে লিভারপুলকে ২-০ গোলে হারিয়েছে তারা। কোয়ার্টার ফাইনালে দুই লেগ মিলিয়ে তারা জিতেছে ৪-০ ব্যবধানে।