ঢাকা ০২:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
‘এই সময়’কে একান্ত সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা

‘কোটা পরিবর্তনের দাবির আড়ালে ছিল সরকার পরিবর্তনের ষড়যন্ত্র’

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:১৯:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
  • / 87

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দাবি করেছেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রতিশোধ নিতেই তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া হয়েছে। তার দাবি, তাকে মৃত্যুদণ্ডের যে রায় দেওয়া হয়েছে, সেটি কোনও বিচার নয়। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রতিশোধ মাত্র।

ভারতের সংবাদমাধ্যম ‘এই সময়’কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা আরও দাবি করেছেন, ২০২৪–এর জুলাই-আগস্টের আন্দোলন কোনও স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন ছিল না। কোটা পরিবর্তনের দাবির আড়ালে এটি ছিল একটি সরকার পরিবর্তনের ষড়যন্ত্রমূলক আন্দোলন। যাতে দেশি ও বিদেশি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী জড়িত ছিল।

আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী ছাত্রদের প্রসঙ্গ তুলে শেখ হাসিনা বলেন, ছাত্ররা প্রকাশ্যে গণমাধ্যমে বলেছে, আন্দোলন সফল করার জন্য তারা পুলিশ হত্যা করেছে, মেট্রোরেলে আগুন দিয়েছে। আন্দোলন সফল না হলে সশস্ত্র বিদ্রোহের পরিকল্পনার কথাও তারা স্বীকার করেছে। তার দাবি, পরিকল্পনা সফল করার জন্য ষড়যন্ত্রকারীরাই হত্যাকাণ্ডের পথ বেছে নিয়েছিল।

সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা জানান, অবৈধ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ক্ষমতা দখল করা (মুহাম্মদ) ইউনূস নিজেই এই আন্দোলনকে মেটিকুলাসলি ডিজাইনড বলে উল্লেখ করেছেন।

ফাঁসির আদেশের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩ অনুযায়ী একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য আইসিটি (আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল) গঠন করা হয়েছিল।

তার দাবি, ‘অবৈধ অন্তর্বর্তী সরকার’ বেআইনিভাবে ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।

 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

‘এই সময়’কে একান্ত সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা

‘কোটা পরিবর্তনের দাবির আড়ালে ছিল সরকার পরিবর্তনের ষড়যন্ত্র’

সর্বশেষ আপডেট ০৫:১৯:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দাবি করেছেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রতিশোধ নিতেই তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া হয়েছে। তার দাবি, তাকে মৃত্যুদণ্ডের যে রায় দেওয়া হয়েছে, সেটি কোনও বিচার নয়। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রতিশোধ মাত্র।

ভারতের সংবাদমাধ্যম ‘এই সময়’কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা আরও দাবি করেছেন, ২০২৪–এর জুলাই-আগস্টের আন্দোলন কোনও স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন ছিল না। কোটা পরিবর্তনের দাবির আড়ালে এটি ছিল একটি সরকার পরিবর্তনের ষড়যন্ত্রমূলক আন্দোলন। যাতে দেশি ও বিদেশি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী জড়িত ছিল।

আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী ছাত্রদের প্রসঙ্গ তুলে শেখ হাসিনা বলেন, ছাত্ররা প্রকাশ্যে গণমাধ্যমে বলেছে, আন্দোলন সফল করার জন্য তারা পুলিশ হত্যা করেছে, মেট্রোরেলে আগুন দিয়েছে। আন্দোলন সফল না হলে সশস্ত্র বিদ্রোহের পরিকল্পনার কথাও তারা স্বীকার করেছে। তার দাবি, পরিকল্পনা সফল করার জন্য ষড়যন্ত্রকারীরাই হত্যাকাণ্ডের পথ বেছে নিয়েছিল।

সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা জানান, অবৈধ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ক্ষমতা দখল করা (মুহাম্মদ) ইউনূস নিজেই এই আন্দোলনকে মেটিকুলাসলি ডিজাইনড বলে উল্লেখ করেছেন।

ফাঁসির আদেশের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩ অনুযায়ী একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য আইসিটি (আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল) গঠন করা হয়েছিল।

তার দাবি, ‘অবৈধ অন্তর্বর্তী সরকার’ বেআইনিভাবে ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।