ঢাকা ০২:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:০৫:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬
  • / 125

ছবি সংগৃহীত

ঈদ উপলক্ষে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত মুখর হয়ে উঠেছে পর্যটকদের পদচারণায়। পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে সমুদ্র স্নান, জেটস্কি, ঘোড়া আর বাইক রাইডের আনন্দ মিলিয়ে পর্যটন খাতে শত কোটি টাকার ব্যবসার প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা।

রবিবার সকাল থেকেই সৈকতের প্রতিটি পয়েন্ট প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি, রংধনু আর সূর্যাস্তের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য পর্যটকদের ঈদের আনন্দ আরও বাড়িয়েছে। রমজানের নীরবতা কাটিয়ে এবার সমুদ্র পাড় প্রাণচঞ্চল হয়ে উঠেছে।

পর্যটন ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, এবার ঈদে ১০ থেকে ১১ লাখ পর্যটক কক্সবাজারে আসবেন। হোটেল, রেস্টুরেন্ট, হাওড়া রাইড ও অন্যান্য ব্যবসা মিলিয়ে প্রায় ১০০ কোটি টাকার আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

পর্যটকরা সমুদ্রস্নান ও বিনোদন উপভোগ করছেন কক্সবাজারের কলাতলী, সুগন্ধা, লাবণীসহ বিভিন্ন পয়েন্টে। ঢাকার পরিজনরা বলছেন, “পরিবার নিয়ে প্রথমবার কক্সবাজারে আসায় ঈদের আনন্দ দ্বিগুণ হয়েছে।

সামনে এক সপ্তাহ সময় আছে, আরও ঘুরে দেখার সুযোগ থাকবে।” রাজশাহীর পর্যটক মনে করছেন, সমুদ্র, পাহাড় আর সবুজ বন সবই অসাধারণ। চট্টগ্রামের পর্যটক নাজমা আক্তার বলেন, “বাইক ভ্রমণ ও সমুদ্রস্নান উপভোগ করতে খুব ভালো লাগছে। নিরাপত্তার ব্যবস্থা দেখে শান্তি পেয়েছি।”

টুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার জোনের পরিদর্শক তানভীর ইসলাম জানান, পর্যটকদের নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

পুলিশ, সাদা পোশাকের নজরদারি টিম ও গোয়েন্দা টিম পালাক্রমে ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করছে।

সৈকতে কাজ করা বিচ কর্মীদের সুপারভাইজার আলমগীর হোসেন বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে এবং পর্যটকরা সতর্ক থাকছেন।

সি সেফ লাইফ গার্ডের টিম লিডার রাকিবুল ইসলাম জানান, বিপুলসংখ্যক পর্যটক আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, তাই লাল পতাকা দিয়ে সতর্কতা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

কক্সবাজার হোটেল-গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সভাপতি শামসুল আলম বলেন, ঈদের পরদিন থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় এক লাখ পর্যটক আসতে পারেন। ১০ দিন ধরে এ ধারা চলতে পারে, যা পর্যটন খাতে ১০০ কোটি টাকার ব্যবসা সম্ভাবনা তৈরি করবে।

জেলা প্রশাসক মো. হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, পর্যটকের আগমনের সম্ভাবনা অনুযায়ী নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে।

পুলিশ সুপার মুনিরা বেগমও বলেছেন, জেলা পুলিশ এবং টুরিস্ট পুলিশ সমন্বয়ে সৈকত সংলগ্ন এলাকায় পর্যটক নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল

সর্বশেষ আপডেট ০৮:০৫:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

ঈদ উপলক্ষে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত মুখর হয়ে উঠেছে পর্যটকদের পদচারণায়। পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে সমুদ্র স্নান, জেটস্কি, ঘোড়া আর বাইক রাইডের আনন্দ মিলিয়ে পর্যটন খাতে শত কোটি টাকার ব্যবসার প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা।

রবিবার সকাল থেকেই সৈকতের প্রতিটি পয়েন্ট প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি, রংধনু আর সূর্যাস্তের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য পর্যটকদের ঈদের আনন্দ আরও বাড়িয়েছে। রমজানের নীরবতা কাটিয়ে এবার সমুদ্র পাড় প্রাণচঞ্চল হয়ে উঠেছে।

পর্যটন ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, এবার ঈদে ১০ থেকে ১১ লাখ পর্যটক কক্সবাজারে আসবেন। হোটেল, রেস্টুরেন্ট, হাওড়া রাইড ও অন্যান্য ব্যবসা মিলিয়ে প্রায় ১০০ কোটি টাকার আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

পর্যটকরা সমুদ্রস্নান ও বিনোদন উপভোগ করছেন কক্সবাজারের কলাতলী, সুগন্ধা, লাবণীসহ বিভিন্ন পয়েন্টে। ঢাকার পরিজনরা বলছেন, “পরিবার নিয়ে প্রথমবার কক্সবাজারে আসায় ঈদের আনন্দ দ্বিগুণ হয়েছে।

সামনে এক সপ্তাহ সময় আছে, আরও ঘুরে দেখার সুযোগ থাকবে।” রাজশাহীর পর্যটক মনে করছেন, সমুদ্র, পাহাড় আর সবুজ বন সবই অসাধারণ। চট্টগ্রামের পর্যটক নাজমা আক্তার বলেন, “বাইক ভ্রমণ ও সমুদ্রস্নান উপভোগ করতে খুব ভালো লাগছে। নিরাপত্তার ব্যবস্থা দেখে শান্তি পেয়েছি।”

টুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার জোনের পরিদর্শক তানভীর ইসলাম জানান, পর্যটকদের নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

পুলিশ, সাদা পোশাকের নজরদারি টিম ও গোয়েন্দা টিম পালাক্রমে ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করছে।

সৈকতে কাজ করা বিচ কর্মীদের সুপারভাইজার আলমগীর হোসেন বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে এবং পর্যটকরা সতর্ক থাকছেন।

সি সেফ লাইফ গার্ডের টিম লিডার রাকিবুল ইসলাম জানান, বিপুলসংখ্যক পর্যটক আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, তাই লাল পতাকা দিয়ে সতর্কতা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

কক্সবাজার হোটেল-গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সভাপতি শামসুল আলম বলেন, ঈদের পরদিন থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় এক লাখ পর্যটক আসতে পারেন। ১০ দিন ধরে এ ধারা চলতে পারে, যা পর্যটন খাতে ১০০ কোটি টাকার ব্যবসা সম্ভাবনা তৈরি করবে।

জেলা প্রশাসক মো. হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, পর্যটকের আগমনের সম্ভাবনা অনুযায়ী নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে।

পুলিশ সুপার মুনিরা বেগমও বলেছেন, জেলা পুলিশ এবং টুরিস্ট পুলিশ সমন্বয়ে সৈকত সংলগ্ন এলাকায় পর্যটক নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে।