ঢাকা ০৮:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারকে ডিজিটাল পর্যটন নগরী করার পরিকল্পনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:০৩:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
  • / 103

কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পর্যায়ের আধুনিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সমন্বিত পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ এবং পরিবেশ সুরক্ষার সমন্বয়ে জেলাটিকে একটি ডিজিটাল পর্যটন নগরীতে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে কক্সবাজারের সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা বিষয়ক সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, কক্সবাজারকে ঘিরে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে। পর্যটন খাতের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

অর্থমন্ত্রী জানান, উপকূলীয় এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রমে দীর্ঘদিন ধরে থাকা ৫০ মিটার ও ৫০০ মিটারের বিধিনিষেধ পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পর্যটন এলাকায় হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও অন্যান্য বিনোদনকেন্দ্র গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি করা হবে।

তিনি বলেন, কক্সবাজারের উন্নয়নে ইতোমধ্যে বড় ধরনের অবকাঠামোগত অগ্রগতি হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলছে, রেল যোগাযোগ চালু হয়েছে এবং চট্টগ্রামের সঙ্গে উন্নত সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে। এসব সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে কক্সবাজারকে একটি আধুনিক পর্যটন নগরীতে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্য বাস্তবায়নে কক্সবাজারকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবৃদ্ধি কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। পর্যটন, বাণিজ্য ও সেবাখাতের বিকাশের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে জেলার অবদান আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কক্সবাজারকে ডিজিটাল পর্যটন নগরী করার পরিকল্পনা

সর্বশেষ আপডেট ১০:০৩:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পর্যায়ের আধুনিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সমন্বিত পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ এবং পরিবেশ সুরক্ষার সমন্বয়ে জেলাটিকে একটি ডিজিটাল পর্যটন নগরীতে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে কক্সবাজারের সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা বিষয়ক সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, কক্সবাজারকে ঘিরে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে। পর্যটন খাতের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

অর্থমন্ত্রী জানান, উপকূলীয় এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রমে দীর্ঘদিন ধরে থাকা ৫০ মিটার ও ৫০০ মিটারের বিধিনিষেধ পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পর্যটন এলাকায় হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও অন্যান্য বিনোদনকেন্দ্র গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি করা হবে।

তিনি বলেন, কক্সবাজারের উন্নয়নে ইতোমধ্যে বড় ধরনের অবকাঠামোগত অগ্রগতি হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলছে, রেল যোগাযোগ চালু হয়েছে এবং চট্টগ্রামের সঙ্গে উন্নত সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে। এসব সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে কক্সবাজারকে একটি আধুনিক পর্যটন নগরীতে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্য বাস্তবায়নে কক্সবাজারকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবৃদ্ধি কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। পর্যটন, বাণিজ্য ও সেবাখাতের বিকাশের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে জেলার অবদান আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।