ঢাকা ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্র জ্বালানি সমঝোতা স্বাক্ষর

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৩১:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
  • / 968

ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়াতে একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে। বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে এ উদ্যোগকে দুই দেশের সম্পর্কের নতুন পর্ব হিসেবে দেখা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এই সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়। এতে বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট স্বাক্ষর করেন।

বাংলাদেশ দূতাবাসের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি—বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা ও সরবরাহ ব্যবস্থার চাপ—অনেক দেশের মতো বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তাকেও জটিল করে তুলছে। সেই বাস্তবতায় এই চুক্তি কিছুটা হলেও নীতিগত স্থিতি আনার চেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

চুক্তির আওতায় দুই দেশ তেল, গ্যাস, ভূ-তাপীয় শক্তি ও জৈব জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও গবেষণা সহযোগিতা বাড়াবে। পাশাপাশি জ্ঞান ও দক্ষতা বিনিময়ের পথও প্রসারিত হবে বলে জানানো হয়েছে। এর মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে তুলনামূলকভাবে বহুমুখী করার লক্ষ্য রয়েছে।

এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি, এলপিজি ও অন্যান্য জ্বালানি পণ্য আমদানির ক্ষেত্রেও সমন্বয় ও সুযোগ বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে, যদিও বাস্তবে এসব উদ্যোগ বাজার পরিস্থিতি ও মূল্য ওঠানামার ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল থাকবে।

অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এই সমঝোতাকে বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি এ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমর্থনের জন্য সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট একে দুই দেশের সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি তাৎপর্যপূর্ণ ধাপ হিসেবে অভিহিত করেন।

অনুষ্ঠানে দুই দেশের সরকারি প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন বলে দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্র জ্বালানি সমঝোতা স্বাক্ষর

সর্বশেষ আপডেট ০৬:৩১:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়াতে একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে। বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে এ উদ্যোগকে দুই দেশের সম্পর্কের নতুন পর্ব হিসেবে দেখা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এই সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়। এতে বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট স্বাক্ষর করেন।

বাংলাদেশ দূতাবাসের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি—বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা ও সরবরাহ ব্যবস্থার চাপ—অনেক দেশের মতো বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তাকেও জটিল করে তুলছে। সেই বাস্তবতায় এই চুক্তি কিছুটা হলেও নীতিগত স্থিতি আনার চেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

চুক্তির আওতায় দুই দেশ তেল, গ্যাস, ভূ-তাপীয় শক্তি ও জৈব জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও গবেষণা সহযোগিতা বাড়াবে। পাশাপাশি জ্ঞান ও দক্ষতা বিনিময়ের পথও প্রসারিত হবে বলে জানানো হয়েছে। এর মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে তুলনামূলকভাবে বহুমুখী করার লক্ষ্য রয়েছে।

এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি, এলপিজি ও অন্যান্য জ্বালানি পণ্য আমদানির ক্ষেত্রেও সমন্বয় ও সুযোগ বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে, যদিও বাস্তবে এসব উদ্যোগ বাজার পরিস্থিতি ও মূল্য ওঠানামার ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল থাকবে।

অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এই সমঝোতাকে বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি এ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমর্থনের জন্য সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট একে দুই দেশের সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি তাৎপর্যপূর্ণ ধাপ হিসেবে অভিহিত করেন।

অনুষ্ঠানে দুই দেশের সরকারি প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন বলে দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।