ঢাকা ০৩:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উত্তর কোরিয়ার মিসাইলের জবাব দিতে যুক্তরাষ্ট্রের উপর ভরসা দ.কোরিয়ার

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:২৫:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
  • / 119

উত্তর কোরিয়া বুধবার সকালে জাপানের পশ্চিম উপকূল ও কোরীয় উপদ্বীপের মধ্যবর্তী পূর্ব সাগরে দুই দফা ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী দপ্তর উভয়ই ঘটনাটি নিশ্চিত করেছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ জানিয়েছেন, প্রথম দফার মিসাইল ওনসান এলাকা থেকে ছোড়া হয়েছে এবং প্রায় ২৪০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে পূর্ব সাগরে এসে পড়েছে। এর আগে, পিয়ংইয়ং থেকে অজ্ঞাত বস্তু উৎক্ষেপণ হলেও তা মাটিতে পড়ে যায়।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাচি কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করে মিসাইলের তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ দিয়েছেন। পূর্ব সাগরে থাকা বিমান, নৌযান এবং অন্যান্য সম্পদ রক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা উত্তর কোরিয়ার কর্মকাণ্ড খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করছে। যদি কোনো উস্কানিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথ প্রতিক্রিয়ার জন্য প্রস্তুত।

সপ্তাহের শুরুতে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম ইয়ো-জং সতর্ক করে জানিয়েছিলেন, তার দেশের আকাশে উত্তর কোরিয়ার অনেক বেসামরিক ড্রোন উড়ছে। তার এ সতর্কবার্তার পরই উত্তেজনা তৈরি হয়।

উত্তর কোরিয়ার সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড পূর্ব এশিয়ায় নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করেছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

উত্তর কোরিয়ার মিসাইলের জবাব দিতে যুক্তরাষ্ট্রের উপর ভরসা দ.কোরিয়ার

সর্বশেষ আপডেট ০৭:২৫:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

উত্তর কোরিয়া বুধবার সকালে জাপানের পশ্চিম উপকূল ও কোরীয় উপদ্বীপের মধ্যবর্তী পূর্ব সাগরে দুই দফা ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী দপ্তর উভয়ই ঘটনাটি নিশ্চিত করেছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ জানিয়েছেন, প্রথম দফার মিসাইল ওনসান এলাকা থেকে ছোড়া হয়েছে এবং প্রায় ২৪০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে পূর্ব সাগরে এসে পড়েছে। এর আগে, পিয়ংইয়ং থেকে অজ্ঞাত বস্তু উৎক্ষেপণ হলেও তা মাটিতে পড়ে যায়।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাচি কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করে মিসাইলের তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ দিয়েছেন। পূর্ব সাগরে থাকা বিমান, নৌযান এবং অন্যান্য সম্পদ রক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা উত্তর কোরিয়ার কর্মকাণ্ড খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করছে। যদি কোনো উস্কানিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথ প্রতিক্রিয়ার জন্য প্রস্তুত।

সপ্তাহের শুরুতে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম ইয়ো-জং সতর্ক করে জানিয়েছিলেন, তার দেশের আকাশে উত্তর কোরিয়ার অনেক বেসামরিক ড্রোন উড়ছে। তার এ সতর্কবার্তার পরই উত্তেজনা তৈরি হয়।

উত্তর কোরিয়ার সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড পূর্ব এশিয়ায় নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করেছে।