ঢাকা ০৫:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৩৩:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 78

আসিফ মাহমুদ-দুদক

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ, বদলি ও সরকারি কেনাকাটায় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুদকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অভিযোগ অনুসন্ধানে চার সদস্যের একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। দুদকের উপপরিচালক মো. জাহিদ কালামকে টিমটির নেতৃত্ব দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ সংশ্লিষ্ট অন্য তিনজন হলেন; যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব ড. শেখ মোহাম্মদ জুবায়েদ হোসেন এবং উপসচিব মো. মাসুম আহমেদ।

দুদক সূত্র জানায়, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রমে নিয়োগ, বদলি ও সরকারি পণ্য-সেবা কেনাকাটায় একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ কমিশনে জমা পড়ে। অভিযোগের প্রাথমিক তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক।

অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ ও বদলি প্রক্রিয়া, সরকারি কেনাকাটা এবং এসব কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হবে। পাশাপাশি সরকারি অর্থ ব্যবহারে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি হয়েছে কি না, সেটিও যাচাই করবে অনুসন্ধান দল।

দুদক সূত্র আরও জানিয়েছে, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, স্বজনপ্রীতি ও আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও রয়েছে।

এর আগে আসিফ মাহমুদ উপদেষ্টা থাকাকালে তার সাবেক সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধেও ক্ষমতার অপব্যবহার, তদবির, টেন্ডার-বাণিজ্য ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের অনুসন্ধান করেছিল দুদক। তবে প্রায় ১১ মাসের অনুসন্ধান শেষে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অভিযোগের প্রমাণ না পাওয়ায় ওই অনুসন্ধান পরিসমাপ্ত করা হয় বলে জানানো হয়েছিল।

এদিকে, ২০২৬ সালের মার্চে আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাবের তথ্য তলব করে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। সে সময় আসিফ মাহমুদ জানিয়েছিলেন, তিনি তার আয় ও সম্পদের হিসাব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জমা দিয়েছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৩৩:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ, বদলি ও সরকারি কেনাকাটায় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুদকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অভিযোগ অনুসন্ধানে চার সদস্যের একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। দুদকের উপপরিচালক মো. জাহিদ কালামকে টিমটির নেতৃত্ব দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ সংশ্লিষ্ট অন্য তিনজন হলেন; যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব ড. শেখ মোহাম্মদ জুবায়েদ হোসেন এবং উপসচিব মো. মাসুম আহমেদ।

দুদক সূত্র জানায়, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রমে নিয়োগ, বদলি ও সরকারি পণ্য-সেবা কেনাকাটায় একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ কমিশনে জমা পড়ে। অভিযোগের প্রাথমিক তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক।

অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ ও বদলি প্রক্রিয়া, সরকারি কেনাকাটা এবং এসব কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হবে। পাশাপাশি সরকারি অর্থ ব্যবহারে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি হয়েছে কি না, সেটিও যাচাই করবে অনুসন্ধান দল।

দুদক সূত্র আরও জানিয়েছে, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, স্বজনপ্রীতি ও আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও রয়েছে।

এর আগে আসিফ মাহমুদ উপদেষ্টা থাকাকালে তার সাবেক সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধেও ক্ষমতার অপব্যবহার, তদবির, টেন্ডার-বাণিজ্য ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের অনুসন্ধান করেছিল দুদক। তবে প্রায় ১১ মাসের অনুসন্ধান শেষে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অভিযোগের প্রমাণ না পাওয়ায় ওই অনুসন্ধান পরিসমাপ্ত করা হয় বলে জানানো হয়েছিল।

এদিকে, ২০২৬ সালের মার্চে আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাবের তথ্য তলব করে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। সে সময় আসিফ মাহমুদ জানিয়েছিলেন, তিনি তার আয় ও সম্পদের হিসাব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জমা দিয়েছেন।