ঢাকা ০৫:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মিডল ইস্ট আই–এর প্রতিবেদন

আরব আমিরাতকে ‘গুঁড়িয়ে’ দেওয়ার হুমকি ইরানের

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৫১:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬
  • / 132

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাত ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে কূটনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতকে (ইউএই) ‘কঠোরভাবে লক্ষ্য’ করার পরিকল্পনার কথা সৌদি আরব ও ওমানকে জানিয়েছে তেহরান। বিষয়টি অঞ্চলজুড়ে কৌশলগত অস্থিরতার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে বিশ্লেষকদের মত।

শুক্রবার (১ মে) মিডল ইস্ট আই–এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানে ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কথিত হামলা শুরুর পর থেকে আরব আমিরাত সবচেয়ে বেশি পাল্টা প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়েছে। এতে দেশটি তুলনামূলকভাবে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, আজ ভোরে ফুজাইরার একটি পেট্রোলিয়াম স্থাপনায় ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে। এরপর সেখানে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের কথা জানায় স্থানীয় মিডিয়া অফিস। যদিও এ বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে চলতি মাসে ওপেক থেকে আরব আমিরাতের সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা এবং সৌদি আরবের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের টানাপোড়েন পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানবিরোধী অবস্থান ঘিরে আঞ্চলিক দেশগুলোর ঐক্য গড়ে ওঠার বদলে নতুন বিভাজন তৈরি হচ্ছে।

প্রতিবেদনে ইরানি কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, তারা সৌদি পক্ষকে জানিয়েছে যে আমিরাতকে লক্ষ্য করে কঠোর পদক্ষেপের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এই ধরনের ভাষা ব্যবহারের বিষয়ে রিয়াদ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বলে জানা গেছে।

তবে উত্তেজনার মধ্যেও ইরান ও সৌদি আরব কূটনৈতিক যোগাযোগ বজায় রেখেছে। গত মাসে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে আলোচনাও অনুষ্ঠিত হয়, যা সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

মিডল ইস্ট আই–এর প্রতিবেদন

আরব আমিরাতকে ‘গুঁড়িয়ে’ দেওয়ার হুমকি ইরানের

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৫১:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাত ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে কূটনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতকে (ইউএই) ‘কঠোরভাবে লক্ষ্য’ করার পরিকল্পনার কথা সৌদি আরব ও ওমানকে জানিয়েছে তেহরান। বিষয়টি অঞ্চলজুড়ে কৌশলগত অস্থিরতার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে বিশ্লেষকদের মত।

শুক্রবার (১ মে) মিডল ইস্ট আই–এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানে ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কথিত হামলা শুরুর পর থেকে আরব আমিরাত সবচেয়ে বেশি পাল্টা প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়েছে। এতে দেশটি তুলনামূলকভাবে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, আজ ভোরে ফুজাইরার একটি পেট্রোলিয়াম স্থাপনায় ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে। এরপর সেখানে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের কথা জানায় স্থানীয় মিডিয়া অফিস। যদিও এ বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে চলতি মাসে ওপেক থেকে আরব আমিরাতের সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা এবং সৌদি আরবের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের টানাপোড়েন পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানবিরোধী অবস্থান ঘিরে আঞ্চলিক দেশগুলোর ঐক্য গড়ে ওঠার বদলে নতুন বিভাজন তৈরি হচ্ছে।

প্রতিবেদনে ইরানি কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, তারা সৌদি পক্ষকে জানিয়েছে যে আমিরাতকে লক্ষ্য করে কঠোর পদক্ষেপের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এই ধরনের ভাষা ব্যবহারের বিষয়ে রিয়াদ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বলে জানা গেছে।

তবে উত্তেজনার মধ্যেও ইরান ও সৌদি আরব কূটনৈতিক যোগাযোগ বজায় রেখেছে। গত মাসে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে আলোচনাও অনুষ্ঠিত হয়, যা সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।