আগস্টেই মালয়েশিয়ার পথে বাংলাদেশি কর্মীরা
- সর্বশেষ আপডেট ০৪:০২:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
- / 311
দীর্ঘদিনের স্থবিরতার পর আগামী আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশ থেকে নতুন করে কর্মী পাঠানো শুরু হবে মালয়েশিয়ায়। সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল)-এর মাধ্যমে স্বল্প ব্যয়ে ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান। এ সময় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন।
তিন দিনের মালয়েশিয়া সফরের অগ্রগতি তুলে ধরে মাহদী আমিন বলেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে উচ্চপর্যায়ের একাধিক বৈঠকে শ্রমবাজার পুনরায় চালুর বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। কর্মী নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, অভিবাসন ব্যয় কমানো এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমাতে উভয় দেশ নীতিগতভাবে একমত হয়েছে।
তিনি জানান, নতুন কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে বোয়েসেলের মাধ্যমে সরকারি ব্যবস্থাপনায় নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে, যাতে কর্মীদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে না হয় এবং দালালচক্রের হয়রানি এড়ানো যায়।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আশা প্রকাশ করে বলেন, আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকেই পর্যায়ক্রমে কর্মীরা মালয়েশিয়ায় যেতে শুরু করবেন। পরবর্তীতে চাহিদা অনুযায়ী কর্মী পাঠানোর সংখ্যা বাড়ানো হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকার এমন একটি কর্মী নিয়োগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে যোগ্য ব্যক্তিরা নিরাপদ, বৈধ ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় বিদেশে কাজের সুযোগ পাবেন। এ লক্ষ্যে প্রশাসনিক ও কারিগরি প্রস্তুতিও দ্রুত সম্পন্ন করা হচ্ছে।
মাহদী আমিন জানান, আলোচনায় শুধু নতুন কর্মী নিয়োগ নয়, মালয়েশিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশিদের কল্যাণ, অধিকার সুরক্ষা এবং কর্মপরিবেশ উন্নয়নের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে এ বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া শ্রমবাজারে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে। এতে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ার পাশাপাশি দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহও আরও শক্তিশালী হবে।
সরকার সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বয়ের মাধ্যমে দ্রুত কার্যক্রম সম্পন্ন করার নির্দেশনা দিয়েছে বলেও জানান মাহদী আমিন। তার ভাষ্য, কর্মী নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও কর্মীবান্ধব নীতি নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।



































